শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩৭ অপরাহ্ন

বিশেষ বিজ্ঞপ্তি
জাতীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন বাগেরহাট জেলা কমিটির পক্ষ থেকে সবাইকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা
সংবাদ শিরোনাম :
বিএনপি’র নেতার হামলায় মা ও ছেলে মারাত্মক জখম বাগেরহাটে শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা খেলার সরঞ্জাম বিতরণ রাজনগরে চেয়ারম্যান প্রার্থী শেখ শাহিনুর রহমান পলাশের মোটরসাইকেল গণসংযোগ রামপালে দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত ৩ বছরের জোবায়ের, চিকিৎসায় প্রয়োজন ৩ লাখ টাকা রামপালে জমি দখল চেষ্টা ও মামলা করে হায়রানির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন জাতীয় ইমাম ও খতিব সংস্থার মতবিনিময় সভাকে ঘিরে জেলা আহ্বায়ক প্রিন্সিপাল মাওলানা মাহফুজুর রহমানের ব্যাপক প্রস্তুতি ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে হলে নববী আদর্শ বাস্তবায়নের বিকল্প নেই। বাগেরহাটের মতবিনিময় সভায় বক্তারা রাখালগাছির কৃতি সন্তান হাবিব জেলা ছাত্রদলের সিনি: যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জলবায়ু বিপর্যয়ের ঝুকি মোকাবেলায় উপকূলীয় অঞ্চলকে সুরক্ষিত রাখতে মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক হলেন বাগেরহাটের কৃতি সন্তান রবি
ইলিশ আহরণ ও বিপননের শেষ দিনে বাগেরহাট কেবি বাজারে উপচে পড়া ভীড়, দামও চড়া

ইলিশ আহরণ ও বিপননের শেষ দিনে বাগেরহাট কেবি বাজারে উপচে পড়া ভীড়, দামও চড়া

প্রতিকী ছবি 
বাগেরহাট অফিস
ইলিশ আহরণ ও বিপনন বন্ধের শেষ দিনে বাগেরহাটের সামুদ্রিক মাছ ক্রয়-বিক্রয়ের পাইকারি আড়ৎ কেবি বাজারে উপচে পড়া ভীড় লক্ষ করা গেছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) ফজরের পর থেকেই ক্রেতা-বিক্রেতা ও জেলেদের ভীড়ে সরগরম ছিল কেবি বাজার। ইলিশের দিকে আগ্রহ ছিল সবার বেশি।মাছের পরিমান কম থাকলেও বিক্রি হচ্ছিল চড়া দামে। তবে কাঙ্খিত মাছ না পাওয়ায় জেলেদের মুখে তেমন হাসি ছিল না। বেশিরভাগ ট্রলার মালিককেই লোকসান গুনতে হলে এই সিজিনে এমনটি দাবি করেছেন অনেক জেলে।
সকাল ৮টার দিকে কেবি বাজারে দেখা যায়, কেজি-কেজি মাছের পোন (৮০ পিস) বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ হাজার টাকা। ৫‘শ থেকে ৬‘শ গ্রামের মাছের পোন ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা, ৭‘শ থেকে ৮‘শ গ্রামে মাছ ৫৫ থেকে ৬৫ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ২‘শ থেকে ৩‘শ গ্রাম ওজনের মাছও বিক্রি হয়েছে। এসব মাছের পোন বিক্রি হয়েছে ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকায়।ইলিশের বাইরে রুপচাঁদা, সাগরের বাইলা, লইট্যা, ঢেলা চ্যালা, কঙ্কন, মেইদ, কইয়া ভোল, জাবা ভোল, জাবা, বউ মাছ, পোয়া, টোনাসহ বিভিন্ন মাছ বিক্রি হয়েছে প্রচুর। এসব মাছ আকার, আকৃতি ও চেহারা ভেদে ১‘শ ৫০ থেকে ৩শ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে। তবে রুপচাঁদা সর্বনিম্ন ৫‘শ থেকে ৮‘শ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে। এই ক্রয় বিক্রয় রাত ১২ টা পর্যন্ত চলবে বলে জানয়েছেন কেবি বাজার ব্যবসায়ীরা।
সাগর থেকে মাছ ধরে আসা লতিফ, নজরুল, জাহিদসহ কয়েকজন জেলে বলেন, এ বছর ইলিশের মৌসুম শুরু হওয়ার পরে প্রথম কিছু দিন মাছ বেশি পেয়েছি। তবে শেষদিকে আমরা বড় মাছ পেলেও, পরিমানে অনেক কম পেয়েছি। কাল থেকে ২২ দিন আমরা ২২দিন পর্যন্ত মাছ আহরণ করতে পারব। এ সময়টা খুব কষ্টে যাবে আমাদের। কারণ এবার ট্রেলার মালিকরা লোকসানে পড়েছেন।যারফলে এই সময়ে আমরা মহাজনের কাছ থেকে কোন সহযোগিতা পাব না। আর সরকার ঘোষিত সহায়তা পাব কিনা তাও বলতে পারি না।
মাছ ব্যবসায়ী সিরাজুল ইসলাম বলেন, আমরা কেবি বাজার থেকে মাছ ক্রয় করে নিয়ে এলাকার বিভিন্ন বাজারে বিক্রি করি। আজকে ইলিশ বিক্রির শেষ দিন। তারপরও বেশি দামে তিন পোনের মত মাছ কিনেছে। শেষদিন তো অনেকেই মাছ ক্রয় করবেন। কিন্তু বাজার যদি ভাল না হয় লসে পড়তে হবে।উপকূলীয় মৎস্যজীবী সমিতির সভাপতি ইদ্রিস আলী বলেন, এবছর মাছের সাইজ বড় থাকলেও পরিমান কম ছিল। তাই জেলেরা কিছুটা বিপাকে পড়েছেন।ব্যবসায়ীরা তেমন লাভবান হতে পারবেন। তবে গেল বছরের মত শীতের মৌসুমে যদি সাগরে বেশি ইলিশ পাওয়া যায় তাহলে জেলে ও ব্যবসায়ীরা লোকসান পোষাতে পারবেন বলে আশা করেন তিনি।মা ইলিশ রক্ষার জন্য সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী ১৪ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত ইলিশ আহরণ ও বিপনন বন্ধ থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায়..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২০ – ২০২৫, www.chulkati24.com

কারিগরি সহায়তায়ঃ-SB Computers